নিজেকে নিয়ে কিছু কথা বাংলা আর্টিকেলে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের সবার জীবন নিজেদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে খুশি করতে গিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলার দরকার নেই। নিজের স্বপ্ন, নিজের অনুভূতি আর নিজের সিদ্ধান্তের মূল্য দিতে শিখলেই জীবন বদলাতে শুরু করে। কারণ যে মানুষ নিজেকে সম্মান করতে জানে, সে কখনোই নিজের জীবনের মূল্য কমতে দেয় না।
আপনি নিশ্চয়ই সোশ্যাল মিডিয়াতে এমন কিছু নিজেকে নিয়ে ক্যাপশন স্ট্যাটাস পোস্ট করতে চাচ্ছেন যা দেখে অনেকেই চমকে উঠবে। যা আপনার জীবনের সাথে একজন হুবহু মিলে যাবে। হ্যাঁ সেরকম স্ট্যাটাস ক্যাপশন নিয়েই আজকের এই আর্টিকেলটি সাজিয়েছি। যা আপনাদের ভালো লাগবেই। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।
♥️♥️♥️♥️♥️♥️
এই ৮টা সত্যি জানলে জীবনটা বদলে যেত আরও আগে →
গুরুত্বপূর্ণ মানুষ আসবে, যাবে এটাই স্বাভাবিক। যাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাবো, তারা একদিন হঠাৎই অচেনা হয়ে যেতে পারে। মেনে নিলে জীবনের মানুষের মান উন্নত হবে।
তোমার "ডায়েট" মানে শুধু খাবার নয়। তুমি কী দেখছো, কী পড়ছো, কাদের অনুসরণ করছো আর কার সাথে সময় কাটাচ্ছো—সবই এর অংশ। মানসিক শান্তি চাইলে "জাঙ্ক" মানুষ কমাও।
নিজের সুখের জন্য কখনো কখনো মানুষকে হতাশ করতেই হবে। নিজেকে ভালোবাসা-অন্যের ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছে থেকে সবসময় বড় হওয়া উচিত।
প্রত্যাখ্যান মানেই শেষ নয়। ভয় পেয়ে সুযোগ আসার আগেই পালিয়ে যাওয়া আসলে নিজের হাতেই নিজেকে আবার প্রত্যাখ্যান করা।
দায়িত্ব নিজের, ভবিষ্যৎও নিজের। গতকাল যা হয়েছে সেটা তোমার নিয়ন্ত্রণে নেই, কিন্তু আজ তুমি কী করবে সেটা পুরোপুরি তোমার দায়িত্ব।
সংখ্যার চেয়ে মান সবসময় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। জীবনের সৌন্দর্য পরিমাণে নয়, গুণে। একজন মানসম্পন্ন বন্ধু শত পরিচিতর চেয়েও বেশি মূল্যবান।
"ফেয়ারিটেল" মানসিকতা তোমাকে অসুখী করবে। প্রত্যেকে পথ আলাদা, ২০-এ ইউনিভার্সিটি বা ২৫-এ চাকরি বাধ্যতামূলক কোনো নিয়ম নয়।
আনন্দের সংজ্ঞা তুমি নিজেই ঠিক করো। জীবন উপভোগ করতে চাইলে অন্যের "ফান" এর সংজ্ঞা কপি কোরো না। তোমার আনন্দ তোমার নিজের।
আপনি কি এই ব্যক্তি?
দেখুন তো...
কখনও একটি "কেমন আছো?" টেক্সট পান না।
সারাক্ষণ ফোনে পড়ে থাকেন, শুধুমাত্র নিজের চিন্তাগুলো থেকে পালানোর জন্য।
একা থাকতে চান কিন্তু আবার একা থাকতেও চান না।
সবার সাথে ভালো ব্যবহার করেন কিন্তু বিনিময়ে অবহেলা ও খারাপ ব্যবহার পান।
নিজের চেহারা বা দেখতে কেমন, তা নিয়ে সবসময় মন খারাপ থাকে বা আত্মবিশ্বাসের অভাব বোধ করেন।
প্রতিটি ছোটখাটো বিষয় নিয়ে অনেক বেশি চিন্তা (overthink) করেন।
অন্যকে ভালো উপদেশ দেন কিন্তু নিজের জীবনের সমস্যা সমাধান করতে পারেন না।